সন্দ্বীপ ভ্রমণ - পর্ব ১৪
হ্যালো বন্ধুরা,
কেমন আছেন সবাই? আশা করছি সবাই ভালো আছেন এবং সুস্থ আছেন। আলহামদুলিল্লাহ, আমিও ভালো আছি এবং সুস্থ আছি। যদিও গরমের মাত্রা যেভাবে বাড়তেছে আর বৃষ্টিহীন প্রকৃতি যেভাবে উষ্ণ হয়ে উঠতেছে, তাতে খুব বেশী সময়ের জন্য ভালো থাকাটা হয়তো সম্ভব হবে না। অফিস হতে বের হলেই মনে হয় রান্নাঘরে প্রবেশ করেছি, আর বাসের ভেতর তো বসাই যায় না, গরমে শরীর জ্বলে। বুঝতেই পারছেন অবস্থা কতটা খারাপ। গত দুই দিন বাস এড়িয়ে যতটা সম্ভব অটো কিংবা রিক্সা ব্যবহার করার চেষ্টা করেছি, তাতে অবশ্য পকেট বেশ দ্রুত ফাঁকা হচ্ছে।
যাইহোক, প্রকৃতি ও পরিবেশ এমন হবে এটাই স্বাভাবিক কারণ প্রকৃতি ও পরিবেশের প্রতি সুদৃষ্টি দেয়া আমাদের পক্ষে অসম্ভব, তাই বাধ্য হয়েই এমন যন্ত্রণা মানিয়ে নিতে হবে। আজকে সন্দ্বীপ ভ্রমণ নিয়ে লিখবো, এর আগে অবশ্য ১৩ পর্ব শেয়ার করেছিলাম আর আজকে ১৪তম শেয়ার করবো। আসলে খুব একটা সময় করে বসতে পারছি না, বাড়িতে এসেই বিছানায় শুয়ে পড়ি। ল্যাপটপ নিয়ে আর বসার ইচ্ছে করে না, এমনিতেও পায়ের ব্যথ্যাটা এখনো সম্পূর্ণভাবে সারে নাই, মাঝে মাঝে সেটাও বেশ কষ্ট দিচ্ছে।
তো আমাদের কাংখিত সীমানায় প্রবেশ করার পর দারুণ একটা অনুভূতি কাজ করতে শুরু করেছিলো। কারণ বিশাল চর, সবুজ ও সুন্দর ঘাসের দৃশ্য হৃদয়ের প্রত্যাশাকে দারুণভাবে আলোকিত করতে শুরু করে দিয়েছিলো। যত দূর পর্যন্ত চোখ যায় শুধু সবুজ আর সবুজের দৃশ্য, তবে সেটা খুব বেশী সময়ের জন্য থাকছে না এখন, জোয়ার ভাটায় কিছুটা পরিবর্তন হয়ে যাচ্ছে। তবে আমরা সবাই ভীষণ আশাবাদী।
প্রকৃতির সৌন্দর্য সত্যি অন্য রকম এক মায়া হিসেবে কাজ করে, মুগ্ধতা তো পারে আসে কিন্তু শুরুতেই দারুণভাবে বিহ্বল করে দেয়। আজকের দৃশ্যগুলো দেখুন, দারুণ এক শিল্পী তুলিতে আকা প্রকৃতির দৃশ্য। মনে হচ্ছে চারপাশের প্রকৃতি দারুণভাবে সব কিছুকে সাজিয়ে তুলেছে। জোয়ার ভাটায় এই খালগুলোতে পানির পরিমান বেড়ে যায়, আর তাতে সাগর হতে অনেক ধরণের ছোট বড় মাছও চলে আসে।
আমরা যখন দৃশ্যগুলো দেখছিলাম আর ফটোগ্রাফি করতেছিলাম, তখন অব্যশ একজন জেলে জাল দিয়ে ঠিক সেই খালের পানিতে মাছ ধরার চেষ্টা করছিলেন। আমি অবশ্য কিছু দৃশ্য ক্যাপচারও করেছিলাম। একটা শর্ট ভিডিও ধারণ করেছিলাম। আসলে সুন্দর মুহুর্তটা হাতছাড়া করতে নারাজ ছিলাম, তাই ফটোগ্রাফি যেমন করেছি ঠিক তেমনি কিছু দৃশ্য ভিডিও করে রেখেছি। স্মৃতির সাথে সেগুলোও না হয় জমা থাকলো ভবিষ্যতের জন্য।
তারিখঃ অক্টোবর ০৩, ২০২৫ইং।
লোকেশনঃ সন্দ্বীপ, চট্টগ্রাম।
ক্যামেরাঃ রেডমি-১৩, স্মার্টফোন।
ধন্যবাদ সবাইকে।
@hafizullah
আমি মোঃ হাফিজ উল্লাহ, চাকুরীজীবী। বাংলাদেশী হিসেবে পরিচয় দিতে গর্ববোধ করি। বাঙালী সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য লালন করি। ব্যক্তি স্বাধীনতাকে সমর্থন করি, তবে সর্বদা নিজেকে ব্যতিক্রমধর্মী হিসেবে উপস্থাপন করতে পছন্দ করি। পড়তে, শুনতে এবং লিখতে ভালোবাসি। নিজের মত প্রকাশের এবং অন্যের মতামতকে মূল্যায়নের চেষ্টা করি। ব্যক্তি হিসেবে অলস এবং ভ্রমন প্রিয়।

|| আমার বাংলা ব্লগ-শুরু করো বাংলা দিয়ে ||




>>>>>|| এখানে ক্লিক করো ডিসকর্ড চ্যানেলে জয়েন করার জন্য ||<<<<<

Support @heroism Initiative by Delegating your Steem Power
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
Support @Bangla.Witness by Casting your witness vote
Support @Bangla.Witness by Casting your witness vote
VOTE @bangla.witness as witness

OR









