কালী পূজা ভ্রমণ পর্ব:৭
হ্যালো বন্ধুরা,
আপনারা সবাই কেমন আছেন?আশা করি,আপনারা সবাই ভাল আছেন সুস্থ আছেন। আজ আমি আপনাদের মাঝে কালী পূজা ভ্রমণ সপ্তম পর্বটি উপস্থাপন করছি। আশা করি, আপনাদের সবার ভালো লাগবে। তাই বিলম্ব না করে আমার পোস্ট লেখাটি শুরু করছি।
এরপর আমরা চলে গেলাম বারাসাতের আরও একটি অন্যতম কালী পূজা দেখতে। পাইনিয়ার অ্যাথলেটিক ক্লাব প্রতিবছর খুব সুন্দর ভাবে কালী পূজার আয়োজন করে থাকে এই ক্লাবটি। এই প্যান্ডেলটি তৈরি করা হয় বড় একটি পুকুরের পাশে। পুকুরের পাশে প্যান্ডেল তৈরি করার কারণে প্যান্ডেলটির সৌন্দর্য আরো বেড়ে যায়। প্রতিবছর এই ক্লাবটি নতুন নতুন প্যান্ডেল তৈরি করে থাকে। আর এই প্যান্ডেলের কালী পূজাটি দেখার জন্য বিভিন্ন জায়গার মানুষ এখানে ভিড় করে থাকে। আমরা যেহেতু গভীর রাত্রে গিয়েছিলাম যার কারণে এখানের ভিড় একটু হলেও কম ছিল।পাইনিয়ার অ্যাথলেটিক ক্লাবের প্যান্ডেলটি ভিতরে প্রবেশ করার আগে প্রথমে চোখে পড়ল বিশাল আকৃতির একটি গেট। এই গেটটি সম্পূর্ণ সাজানো হয়েছিল রঙ্গিন আলো দিয়ে। রাস্তার দুপাশে টুনি বাল্ব জ্বালিয়ে মূল প্যান্ডেল পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।
সুন্দর পরিবেশের মধ্যে হাঁটতে হাঁটতে আমরা পৌঁছে গেলাম মূল প্যান্ডেলে। প্যান্ডেলের ঢুকতেই প্রথমে চোখে পরল বিভিন্ন কালারের রঙিন ঝাড়বাতি। এই প্যান্ডেলটিতে অসংখ্য ঝাড়বাতি লাগানো হয়েছে যার কারণে প্যান্ডেলের ভিতরের পরিবেশটা আরো আলোকিত হয়ে উঠেছে। প্যান্ডেলের দেয়ালে বিভিন্ন ধরনের নকশা তৈরি করা হয়েছে। সেগুলো দেখতে দেখতে আমরা মা কালীর মূর্তির সামনে এসে দাঁড়ালাম। মায়ের মূর্তির পাশে আরো অনেক মূর্তি দেখতে পেলাম কিন্তু এখানে কি উল্লেখ করা হয়েছে আমি সেটাই বুঝতে পারিনি। যাইহোক,এরপরে মাকে প্রণাম করে প্যান্ডেলের বাইরে বের হলাম। প্যান্ডেলের বাইরে বের হতেই সামনে করল বিশাল একটি মেলা। প্রতিবছর পূজার সঙ্গে এখানে মেলা বসে থাকে। মেলাতে তেমন কিছু খেলাম না কিছুক্ষণ ঘুরে আমরা মেলা থেকে বেরিয়ে পড়লাম।
পাইনিয়ার অ্যাথলেটিক ক্লাবের কাছে আরও একটি পুজা হচ্ছিল। খুব কাছে ছিল যার কারণে আমরা সেই প্যান্ডেলটি দেখার উদ্দেশ্যে রওনা করলাম। খুব ছোটখাটো ভাবে পূজাটি হচ্ছিল। কিন্তু এখানে পৌঁছানোর পর লোকের ভিড়ে সেটি কখনোই মনে হলো না যে,এটি ছোট একটি পূজা। আমরা যে পূজাটি দেখে এলাম তার থেকে অনেক ভিড় জমে ছিল এই প্যান্ডেলটিতে। এটি দেখার পর আমার আগ্রহ আরো বেড়ে গেল না জানি ভিতরে কত সুন্দর সাজিয়েছে। লোকের ভিড় ভেঙ্গে আমরা পৌঁছে গেলাম প্যান্ডেলের ভেতর। ভিতরে ঢুকতেই প্রথমে চোখে পরলো একটি সুন্দর লক্ষী নারায়ণের মূর্তি। প্যান্ডেলটির ভেতরে সুন্দর সাজানো গোছানো ছিল। ভিতরে যথেষ্ট সিকিউরিটি প্রয়োগ করা হয়েছিল যার কারণে ভিড় হলেও বোঝা যাচ্ছিল না। খুব সুন্দর ভাবে তারা মাকে দেখার সুযোগ করে দিচ্ছিলো। এখানে মায়ের মূর্তির কাছে রাধা কৃষ্ণ এবং শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভুর চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। আমি দুইটি প্যান্ডেলের চিত্র নিচে আপনাদের সবার মাঝে পরিবেশন করছি। আশা করি, আপনাদের সবার ভালো লাগবে।














