প্রকৃতির সান্নিধ্যে- মিনি চিড়িয়াখানা (পর্ব-৩)
হ্যালো বন্ধুরা,
কেমন আছেন সবাই? আশা করছি সবাই ভালো আছেন এবং সুস্থ আছেন। আলহামদুলিল্লাহ, আমিও ভালো আছি এবং সুস্থ আছি। প্রকৃতির বৈচিত্রের সাথে মানুষের বৈচিত্রসমূহকেও মানিয়ে নেয়ার চেষ্টা করছি। সত্যি বলতে মানুষ যে বলে থাকে, সব কিছুর বৈশিষ্ট্যকে মূল্যায়ন করা সম্ভব কিন্তু মানুষের ক্ষেত্রে নয়। কারণ মানুষ বড্ড বেশী আজব প্রকৃতির, প্রকৃতির মতোই নয় শুধু বরং তার চেয়ে ঢেরগুণ বেশী ঘন ঘন মানুষের মানসিকতা, আবেগ ও অনুভূতি পাল্টে যায়। মাঝে মাঝে তো পুরো মানুষটাই বদলেও যায় হি হি হি। আসলেই বর্তমান বাস্তবতায় সেটা শুধু কথার কথা নয় বরং নিদারুণ এক বাস্তবতা।
যাইহোক, বিষয়বস্তু মনে হচ্ছে পরিবর্তন হয়ে যাচ্ছে, আমরা প্রকৃতির মাঝেই থাকি সেটাই বোধহয় আমাদের জন্য বেশী ভালো। তো মিনিচিড়িয়াখানা নিয়ে পোষ্ট লিখলেও টাইটেল এর শুরুতে কিন্তু বলে দিয়েছি প্রকৃতির সান্নিধ্যে। এই চিড়িয়াখানার অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো সবুজ ও সতেজ প্রকৃতির সান্নিধ্য। ভেতরে ঢোকার আগেই আপনার মন ও হৃদয় সতেজ হয়ে যাবে, চারপাশের দৃশ্যাবলী আপনাকে দারুণভাবে মুগ্ধ করে দিবে। আপনার কাছে মনে হবে আরো কিছুটা ধীরে ধীরে হেঁটে ভেতরের দিকে যাই, কারণ বাহিরের প্রকৃতির দৃশ্যগুলোই দারুণ লাগছে।
আসলেই বাস্তবিক অর্থে এমনটাই আপনার কাছে মনে হবে, ভেতরে দেখার তেমন আকর্ষণীয় কিছু নেই কিন্তু তবুও মানুষ এখানে আসে। কিন্তু কেন আসে? সেটা বুঝতে হলেই আপনাকে প্রকৃতির দৃশ্যগুলো দেখতে হবে। দারুণ কিছু সেখানেই আপনি খুঁজে পাবেন। আমি এখনো ভেতরে প্রবেশ করি নাই, ভেতরে ঢোকার সড়কের মাঝেই রয়েছি। বাহিরের চারপাশের দৃশ্যাবলী শুধু শেয়ার করছি। গত পর্বে বলেছিলাম আমি ছোট শালবনের কিছু দৃশ্য আজকে শেয়ার করবো।
আজকের ফটোগ্রাফিগুলো দেখুন, যদিও আমি খুব বেশী ফটোগ্রাফি করি নাই। আপনার কাছে মনে হবে ছোট একখন্ড শালবন। হ্যা, বেশ ঘন গাছের আড়ালে অনেকটাই শালবন মনে হবে। আরো একটা বিষয় আছে কিন্তু ভেতরে গিয়ে আমরা প্রচুর শেয়ালের হাঁক শুনেছি, সেই চিরচেনা হুক্কা হুয়ার ডাক। বেশ ভালো লাগলেও কিছুটা ভয়ও কিন্তু লেগেছে। আর এখানে সাধারণত পাঁচটার পর পরই সবাইকে বের হয়ে যেতে বলেন। যাতে সন্ধ্যায় অনাকাংখিত কোন ঘটনা না ঘটে যায়।
আমরা অবশ্য মাইকিং শুরু করার আগেই বের হয়ে গিয়েছিলাম, না না শেয়ালের ডাকের ভয়ে না কিন্তু। অনেকটা পথ আপনাকে হাঁটতে হবে ভেতরে ঢোকার জন্য, হাঁটার সড়কের পাশেই দেখবেন এমন সুন্দর প্রকৃতির দৃশ্য। অবশ্য গার্ড রয়েছে এবং বনের দিকে যাওয়াও নিষেধ করা হয়েছে। হাঁটার সময়ই আমি এই দৃশ্যগুলো ক্যাপচার করেছিলাম। আমার কাছে ভেতরের তুলনায় বাহিরের প্রকৃতি ও দৃশ্যগুলো বেশী উপভোগ্য ছিলো, সামনের পর্বে প্রকৃতির আরো কিছু সুন্দর দৃশ্য শেয়ার করবো, ইনশাআল্লাহ।
তারিখঃ মার্চ ২৬, ২০২৬ইং।
লোকেশনঃ সাভার, ঢাকা।
ক্যামেরাঃ রেডমি-১৩, স্মার্টফোন।
ধন্যবাদ সবাইকে।
@hafizullah
আমি মোঃ হাফিজ উল্লাহ, চাকুরীজীবী। বাংলাদেশী হিসেবে পরিচয় দিতে গর্ববোধ করি। বাঙালী সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য লালন করি। ব্যক্তি স্বাধীনতাকে সমর্থন করি, তবে সর্বদা নিজেকে ব্যতিক্রমধর্মী হিসেবে উপস্থাপন করতে পছন্দ করি। পড়তে, শুনতে এবং লিখতে ভালোবাসি। নিজের মত প্রকাশের এবং অন্যের মতামতকে মূল্যায়নের চেষ্টা করি। ব্যক্তি হিসেবে অলস এবং ভ্রমন প্রিয়।

|| আমার বাংলা ব্লগ-শুরু করো বাংলা দিয়ে ||




>>>>>|| এখানে ক্লিক করো ডিসকর্ড চ্যানেলে জয়েন করার জন্য ||<<<<<

Support @heroism Initiative by Delegating your Steem Power
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
Support @Bangla.Witness by Casting your witness vote
Support @Bangla.Witness by Casting your witness vote
VOTE @bangla.witness as witness

OR








