মৃত্তিকা পরীক্ষাগার
প্রথমেই সকলকে নমস্কার। আশা করি সবাই ভালো এবং সুস্থ আছেন। আমিও বেশ ভালো আছি। আজ আমি আবার একটি নতুন গল্প নিয়ে চলে এসেছি। আশা করছি আপনাদের সবার ভালো লাগবে। আজ শেয়ার করব soil testing laboratories এ যাওয়া নিয়ে।
Soil testing laboratories আমাদের এখানে কর্ণজোড়া নামে একটি জায়গায় আছে যেটি রায়গঞ্জের মধ্যেই পরে।
আমাদের ইউনিভার্সিটির এক স্যার বলেছিল সেখানে যেতে, স্যারও থাকবে।
আমরা ভেবেছিলাম সেখানে হয়তো আমাদের soil test করে দেখাবে, সেই ভেবেই গিয়েছিলাম।
গিয়ে দেখি এখনও কিছু শুরু হয়নি। তারপর ধীরে ধীরে শুরু হলো। আমাদের ইউনিভার্সিটির স্যার আসলো ও সাথে আরও একজন মানুষ আসলো। তিনি প্রথমেই তার নিজের পরিচয় দিলেন। তিনি নাকি ওই ল্যাবরেটরিতে গভারমেন্ট জব করে।
তারপর তিনি বললেন এই ল্যাবরেটরীতে বিনামূল্যে মাটি পরীক্ষা করে দেওয়া হয় চাষিদের। চাষিরা তাদের নাম ঠিকানা সহ মাটি জমা দিয়ে যায়। তারপর কদিনের মধ্যেই তা পরীক্ষা করে দেওয়া হয়।
এরপর তিনি আমাদের একটি প্রেজেন্টেশন দেখলো এবং বোঝালো। আর এই প্রেজেন্টেশন যখন থেকে শুরু হয়েছে ঠিক তখন থেকেই ইলেকট্রিসিটি নেই। এই প্রেজেন্টেশনটি দোতলার একটি ঘরে হচ্ছিল। ইলেকট্রিসিটি চলে যাওয়ায় ভীষণ গরম লাগছিল।
প্রায় এক ঘণ্টা পর ইলেকট্রিসিটি আসে এবং আমরা স্বস্তি পাই। প্রেজেন্টেশন ও বক্তিতা দেওয়া শেষ হয়ে গেলে আমাদের সবার জন্য সেই ল্যাবরেটরি থেকে কিছু টিফিনের ব্যবস্থা করেছিল। টিফিনের ব্যবস্থা করে ভালোই করেছিল। টিফিনে ছিল চানাচুর, সিঙ্গারা, কেক।
তারপর আমাদের সবাইকে বলে পুরো ল্যাবরেটরি ভালোভাবে ঘুরে দেখতে তবে দশজন করে।
টিফিন খেয়ে আমরাও দশজন যাই দেখতে..... অনেকগুলো মেশিন দেখি, অনেকরকম মাটি পরীক্ষা করার জিনিস দেখতে পাই। দেখা হয়ে গেলে আমরা বাইরে বেরিয়ে আসি।
আমরা যেটা ভেবেছিলাম তেমনটা হলো না। মাটি পরীক্ষা করে দেখালো না, শুধু প্রেজেন্টেশন দেখলো। তবে এরকম জায়গায় আগে কখনও আসিনি। এসে অনেককিছু জানতে পারলাম এবং ভালো লাগলো।
তারপর আমরা সবাই মিলে ছবি তুলে নিলাম। আর স্যারদের আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করছিলাম।
কিছুক্ষণের মধ্যেই স্যাররা বেরিয়ে আসলো, তারপর আমরা স্যারদের সাথে ছবি তুলে নিলাম।
তখন প্রায় দুপুর তিনটে বাজে। তারপর আমরা সবাই ঠিক করলাম কাছেই একটা কোনো রেস্টুরেন্টে খেতে যাবো। ঠিক হলো ফুলবাগান নামে একটি রেস্টুরেন্টে যাবো। অনেককেই যাবে বলল...... আবার অনেকেই যাবে না বলে বাড়ি চলে গেলো।
আমরা বেশ কয়েকজন মিলে হাঁটতে শুরু করলাম ফুলবাগান রেস্টুরেন্টে যাব বলে।
আজ এখানেই শেষ করছি বন্ধুরা। সবাই ভালো থাকবেন। পরের পোস্টে ফুলবাগান রেস্টুরেন্টে যাওয়ার অভিজ্ঞতা নিয়ে শেয়ার করব ধন্যবাদ।







