SLC32-W2 | Explore On The Maps : Explore Delicious Zone.
![]() |
|---|
Hello,
Everyone,
আশা করি মহান সৃষ্টিকর্তার কৃপায় সকলে ভালো আছেন এবং সুস্থ আছেন। চমৎকার একটি বিষয় নিয়ে প্রতিযোগিতায় আয়োজন করার জন্য এই কমিটির সকলকে, বিশেষ করে @jimiaera02 ম্যামকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানাছি। প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করার মাধ্যমে আমি এই কমিটিতে প্রথম পোস্ট করছি।
আমি যেহেতু বাংলাদেশী, বাংলা আমার মাতৃভাষা এবং বাংলাতে কথা বলতে আমি ভালোবাসি। বাংলাতেই এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করছি। প্রতিযোগিতার নিয়ম অনুসারে কিছু বন্ধুদের @photolens,@apnigrich & @quotes-haven কে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করার জর্ন আমন্ত্রণ জানাছি।
➤What kind of delicious zone did you reviewed? Where is it located? Share a brief description of the delicious zone.
![]() | ![]() |
|---|
আমরা বাঙালিরা খেতে ভালোবাসি এবং খাওয়াতেও ভালোবাসি। মাছে-ভাতে বাঙালি হলেও আমরা খাবার শেষে মিষ্টি খেতে খুবই ভালোবাসি। আমি একটি সুস্বাদু মিষ্টির দোকান সম্বন্ধে আপনাদের সাথে আলোচনা করব । দোকানটির নাম হল “ভাগ্যকূল মিষ্টান্ন ভান্ডার” । ভাগ্যকূল মিষ্টান্ন ভান্ডার একটি স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান ।বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় এর শাখা রয়েছে ,তবে আজকে আমি রিভিউ দেব ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট ,ই.সি.বি গোল চত্বর এর পাশে অবস্থিত ।
এখানে বিভিন্ন ধরনের মিষ্টি ,দই, বিভিন্ন ধরনের সন্দেশ, কনফেকশনারী এর সমস্ত কিছু রয়েছে । এখানে জন্মদিনের কেক পাওয়া যায়। যারা বাংলাদেশে বসবাস করে তারা সকলেই ” ভাগ্যকূল মিষ্টান্ন ভান্ডা “ এই প্রতিষ্ঠানটি সাথে পরিচিত । প্রতিটি পণ্যের গুণগত মান খুবই ভালো ।
➤What are the facilities like there? For example, dining facilities, cleanliness, delicious food, prices etc. (with pictures + videos + descriptions).
![]() | ![]() |
|---|
যেহেতু ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট এরিয়ার ভিতরে কোন খাবারের দোকান প্রতিষ্ঠিত হলে তার পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা সবার প্রথমে লক্ষ্য রাখতে হয় ।সেক্ষেত্রে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা এবং খাবারের মানের দিক থেকে ভাগ্যকূল মিষ্টান্ন ভান্ডার দোকানটির অনেক সুনাম রয়েছে। এখানে টক মিষ্টি দই খেতে খুবই সুস্বাদু।
যারা মিষ্টি প্রেমি আছে তারা নির্দ্বিধায় এখানে এসে তাদের পছন্দ শৈলী মিষ্টি খেতে পারেন। যারা একটু মিষ্টি কম পছন্দ করে তাদের জন্য সুন্দর ব্যবস্থাও রয়েছে। চিনির পরিমাণটা খুবই কম দিয়ে তৈরি করেন সুস্বাদু মিষ্টি ,দই । যাদের ডায়াবেটিস আছে তাদের জন্য এবং সাধারণ মানুষের চিন্তা করে এখানে মিষ্টি তৈরি করা হয় ।
এখানকার ”সর দই” এর অনেক সুনাম রয়েছে ।আমার কাছে এখানের চকলেট লাড্ডু অনেক প্রিয়। এই লাড্ডুতে মিষ্টির পরিমাণ কম থাকে তাই খেতে আমার খুবই ভালো লাগে । আমি মিষ্টি ততটা পছন্দ করি না কিন্তু ভাগ্যকূল মিষ্টান্ন ভান্ডার দোকানের মিষ্টি হলে, আমি অবশ্যই একটা খেয়ে দেখব। আমি ছোট্ট একটি ভিডিও করেছি, যেটা আপনাদের সাথে শেয়ার করেছি। অবশ্যই ভিডিওটা দেখবেন।
ভিডিও লিংক নিচে দেওয়া হল Link
➤Discuss in detail the environmental situation of the delicious Zone.
![]() | ![]() |
|---|
৫৭২/৩,ই.সি.বি. চত্বর, ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট. গোল চত্বর ওভার ব্রিজের একদম নিকটে। প্রধান সড়কের পাশে হাওয়াতে এটি সবার কাছে সুপরিচিত ।এরা শুধু মিষ্টি নয়,এরা সুস্বাদু বেকারী আইটেম বিক্রি করে থাকেন এবং জন্মদিনের কেক অর্ডার তৈরি করে থাকেন ।
এখানে প্রতিটি পন্যের গুণগত মান অনেক ভালো। যেহেতু এটি ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট এরিয়াতে , এখানে সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমান বাহিনীর সদস্যরা বসবাস করে থাকেন , আসে পাশে স্কুল, কলেজ এবং বড় বড় চাইনিজ রেস্টুরেন্ট ,এর কিছু সামনে সামরিক হাসপাতাল রয়েছে এবং বিভিন্ন অফিস থাকায় সকল ধরনের লোকজন যাতায়াত করেন।
সকলে ভালো পন্যটি ক্রয় করতে চান। গুণগত মান যেমন ভালো তেমনি খাবারের মূল্য তেমন বেশি নয়। সকলের সাধ্যের ভিতর প্রতিটি খাবারের মূল্য নির্ধারণ করে থাকেন ,তাই সবারই পছন্দের তালিকায় এই দোকানটির নাম চলে আসে ।ঈদ ,কোরবানি ও পুজো যেকোনো উৎসবে এখানে প্রচুর পরিমাণে মিষ্টি সামগ্রী বিক্রি হয়। এখানে বসে খাওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে।
➤What was your favorite delicious food you enjoyed there during your visit? Do you think the delicious area should take more steps to improve its customer service?
ভাগ্যকূল মিষ্টান্ন ভান্ডার দোকানের প্রতিটি খাবার অনেক সুস্বাদ এবং গুণগতমান ভালো ।আমি এর পূর্বে ”সর দই” খেয়েছিলাম , সেটা অনেক সুস্বাদু । যেহেতু আমি মিষ্টি কম পছন্দ করি তাই এখানের সুগার ফ্রি দই বেশি নিয়ে থাকি।
২রা জুন আমার জন্মদিন ছিল তাই আমি ভাগ্যকূল মিষ্টান্ন ভান্ডার থেকে চকলেট লাড্ডু এবং রেড ভেলভেট কেক নিয়েছিলাম। কেকটি অনেক সুস্বাদু ছিল এবং অনেক সফট ছিল । কেকের ক্রিমটিও অনেক মজাদার ছিল। কেক এর মূল্য ছিল ৯০০ টাকা। এখানে চকলেট কেক, ভ্যানিলা কেক থেকে শুরু করে বিভিন্ন ধরনের কেক ছিল।
জোড়া পেয়ারা সন্দেশ ছিল প্রতি কেজি ৮৭০ টাকা। মিহিদানা লাড্ডু প্রতি কেজি ৪৬০ টাকা। কাঁচা সন্দেশ প্রতি কেজি ৮২০ টাকা ,মিনি চমচম প্রতি কেজি ৬০০ টাকা ,কাজু বরফি প্রতি কেজি ১৯০০ টাকা।
এখানে বিশেষ একটি ঝাল চানাচুর আছে যা আমার এবং আমার মেয়ের খুবই প্রিয় । দোকানটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত তাই এই গরমে এখানে বসে ঠান্ডা হওয়ার বাতাসে গল্প করা যায় এবং সাথে সুস্বাদু মিষ্টি খাবার খেতে পারবেন। প্রিয়জনদের সাথে সুন্দর সময় উপভোগ করা যায় । আলোকসজ্জা অনেক সুন্দর ।
উৎসবের সময় ভিড় থাকায় তখন গল্প করার সুযোগ থাকে না এবং টেবিলে বসার জন্য সিরিয়াল দিতে হয় ।এখানকার সুবিধা হল প্রতিটি পণ্যের গায়ে মূল্য লেখা থাকে ।আপনার সুবিধা মত প্রতিটি পণ্য নিতে পারবেন এবং বিক্রেতাগন যথেষ্ট ভালো মনের মানুষ । বিল পরিশোধ করতে আপনি নগদ এবং বিকাশ এর মাধ্যমে পরিশোধ করতে পারেন।
আমার সাধ্যমত চেষ্টা করেছি, আমার প্রিয় এই দোকান সম্বন্ধে আপনাদের সাথে কিছু তথ্য তুলে ধরার। আশা করি আপনারা উপকৃত হবেন এবং কখনও যদি রাজধানী ঢাকা শহরের, ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে আসা হয় , অবশ্যই ভাগ্যকূল মিষ্টান্ন ভান্ডার দোকানের সুস্বাদু মিষ্টি খাওয়ার আমন্ত্রণ রইল ।
প্রয়োজনীয় তথ্যসহ তালিকা
| ক্রমিক নং | বিষয় | তথ্য | |
|---|---|---|---|
| }০১ | নাম | ভাগ্যকূল মিষ্টান্ন ভান্ডার | |
| ০২ | শ্রেণী | মিষ্টির দোকান | |
| ০৩ | খোলার সময় | সকাল ৮টা | |
| ০ ৪ | বন্ধের সময় | রাত ১১টা | |
| ০৫ | গুনমান | খুব ভালো | |
| ০৬ | পরিচ্ছন্নতা | পরিষ্কার | |
| ০৭ | আমার রেটিং | ৯.৯/১০ | |
| ০৮ | কর্মী | ৮ জন |
অবস্থান তথ্য
| অবস্থান | ভাগ্যকূল মিষ্টান্ন ভান্ডার |
|---|---|
| গুগল লোকেশন | লিঙ্ক Bhagyakul Mistanna Bhander - ECB Chattar |
| ব্যবহৃত ক্যামেরা | মোবাইল Redmi-13 |
| অবস্থান | ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট, বাংলাদেশ। |
| ফটোগ্রাফার | @muktaseo |







