জীবনের গল্প || উন্মাদনায় বিষাদের উপাখ্যান
হ্যালো বন্ধুরা,
কেমন আছেন সবাই? আশা করছি সবাই ভালো আছেন এবং সুস্থ আছেন। আলহামদুলিল্লাহ, আমিও ভালো আছি এবং সুস্থ আছি। বিশ্বকাপ উন্মাদনায় সংযুক্ত হয়ে বিষণ চঞ্চল আছেন সবাই, হ্যা এই মুহুর্তে এমনটাই থাকা স্বাভাবিক। কারণ রঙিন ও উন্মাদনার আয়োজনে এক ব্যতিক্রম অধ্যায়ের শেষ হয়েছে আজ, যদিও আমার কাছে এটা এক অদ্ভুত আয়োজন, যেখানে বিষাদের আর্তনাদের পরিমাণটাই বেশী মনে হয়, আর হয়তো এই কারণেই আমি এবারের আয়োজনের একটা ম্যাচও দেখনি এবং দেখতে বসি নাই।
সত্যি আমাদের জীবন এক অদ্ভুত আবরণে জড়িয়ে যাচ্ছে, আমরা এক অদ্ভট সমীকরণের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি, যেখানে সবাই সব রকম উপায়ে আমাদের আবেগ কিংবা অনুভূতি নিয়ে খেলা করতে হয়। সব কিছুর আড়ালে তাদের মুনাফা কিংবা ব্যবসাটাকে নিশ্চিত করতে চায়। হয়তো আমরা কেউ সেটা নিয়ে চিন্তা করি না, হয়তো আমরা কেউ এভাবে বিষয়টি অনুধাবন করি না। না এটা আয়োজকদের কোন ভুল নয় বরং ভুলটা আমাদের নিজেদের, নিজেদের আবেগকে সংবরণ করতে না পারার।
আবগের বিষয়টি নিয়ে সবাই যার যার অবস্থান থেকে চরম এক ধোকা দেয়ার চেষ্টা করে। এটা শুধু বর্তমান সময়ের ক্ষেত্রে নয় বরং সেই অতীতকাল হতেই এমনটা হয়ে আসছে। কারণ মানুষের সবচেয়ে দুর্বলতম দিক হলো এই আবেগ, মানুষ সংগ্রাম হতে বিদ্রোহ যা কিছু করেছে সব কিছুর মূলে কিন্তু কঠিন ভূমিকা ছিলো এই আবেগের। আবেগের দুর্বলতায় মানুষ করতে পারে না এমন কোন কাজ নেই। তাইতো আবেগকে পূঁজি করেই গড়ে উঠেছে বিশাল সকল আয়োজন কিংবা তামাশার মেলা।
সুতরাং বুঝতেই পারছেন বিশ্বকাপের এই আয়োজন নিয়ে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি কেমন। হ্যা, হয়তো আপনি বলতে পারেন জীবনের জন্য এসবের প্রয়োজন আছে, জীবনকে সুন্দর ও চঞ্চল রাখার জন্য এসবের কোন বিকল্প নেই। অবশ্যই আমি সেটাকে স্বীকার করি এবং মানি, কিন্তু সেটারও একটা লেভেল থাকা উচিত, একটা নির্দিষ্ট সীমারেখা থাকা উচিত। একটু দেখুন আমাদের দেশের প্রতি, বিশ্বকাপের আয়োজনে আমরা নেই, কিন্তু লাশের মিছিলে সবার আগে আমাদের নাম, আমাদের দেশের নাম।
তাহলে এখানে কতটা আবেগ ছিলো, আবেগের তাড়নায় কতটা নির্লজ্জভাবে আমরা আমাদের বিবেককে ছুড়ে ফেলেছি। সামান্য খেলার উন্মাদনায় আমরা নিজেদের মানবিক দিককে নষ্ট করে ফেলেছি, অন্য দেশের জয় পরাজয় নিয়ে এতো বেশী ব্যাকুলতা ছড়িয়েছি আমরা যে নিজেদের জাত ভাইয়ের রক্তে হাত রঙিন করতেও দ্বিধাবোধ করি নাই, আফসোস কতটা নির্মম হয়ে গেছি আমরা এই উন্মাদনায় জড়িয়ে! এমন অনুভূতি নিয়ে একটা কবিতা লিখেছি, খুব শীঘ্রয় সেটা শেয়ার করবো ইনশাআল্লাহ।
Image Taken From Pixabay
ধন্যবাদ সবাইকে।
@hafizullah
আমি মোঃ হাফিজ উল্লাহ, চাকুরীজীবী। বাংলাদেশী হিসেবে পরিচয় দিতে গর্ববোধ করি। বাঙালী সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য লালন করি। ব্যক্তি স্বাধীনতাকে সমর্থন করি, তবে সর্বদা নিজেকে ব্যতিক্রমধর্মী হিসেবে উপস্থাপন করতে পছন্দ করি। পড়তে, শুনতে এবং লিখতে ভালোবাসি। নিজের মত প্রকাশের এবং অন্যের মতামতকে মূল্যায়নের চেষ্টা করি। ব্যক্তি হিসেবে অলস এবং ভ্রমন প্রিয়।

|| আমার বাংলা ব্লগ-শুরু করো বাংলা দিয়ে ||




>>>>>|| এখানে ক্লিক করো ডিসকর্ড চ্যানেলে জয়েন করার জন্য ||<<<<<

Support @heroism Initiative by Delegating your Steem Power
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
Support @Bangla.Witness by Casting your witness vote
Support @Bangla.Witness by Casting your witness vote
VOTE @bangla.witness as witness

OR





Thank you for sharing on steem! I'm witness fuli, and I've given you a free upvote. If you'd like to support me, please consider voting at https://steemitwallet.com/~witnesses 🌟