বাড়িতে নতুন অতিথি দের আগমন
নমস্কার বন্ধুরা,
সকলে কেমন আছেন? আজকে চলে এসেছি আপনাদের সাথে নতুন আরো একটি গল্প শেয়ার করে নেওয়ার জন্য। আশা করছি আপনাদের সকলের ভালো লাগবে।
সদ্য বিয়ে করে শ্বশুর বাড়ি এসেছি দুই মাস হল। যেহেতু বিয়ের আগে থেকেই আমার শ্বশুরবাড়িতে আমি অনেকবার এসেছি তাই আমার শাশুড়ি মায়ের কিছু পছন্দ- অপছন্দের ব্যাপারে আমি জানি। উনি গাছপালা ভীষণ পছন্দ করেন। বিয়ের আগে যখন আমি এই বাড়িতে আসতাম তখন প্রায়ই বলতে শুনতাম, উনি একটা ছাদ বাগান বানাতে চান। তবে একা একা বাড়ির সব কাজ করার পর আর সময় করে উঠতে পারেন না। তবুও মাঝে মাঝে বিভিন্ন গাছের ডাল এনে বাড়িতে লাগানো। আমার বর কে বলে বেশ কিছু সবজির বীজ ও আনিয়েছিলেন।
তাই বিয়ে হয়ে আসার পর আমি ভেবেই রেখেছিলাম ধীরে ধীরে ওনার এই ইচ্ছেটা পূরণ করব, যেহেতু আমারও এই বিষয়ে আগ্রহ আছে। তাই আগের সপ্তাহেই সময় পেয়ে চলে গিয়েছিলাম নার্সারিতে গাছ কিনতে। সঙ্গে নিয়ে গিয়েছিলাম আমার বরকে।

যেই নার্সারিতে গিয়েছিলাম সেটা ছিল আমার বাবার বাড়ির কাছের একটা নার্সারি। বিরাট এলাকা জুড়ে থাকা এই নার্সারিতে বিভিন্ন ধরনের গাছের চারা পাওয়া যায়। গাছের মধ্যে আমার সবচেয়ে পছন্দের হল ফলের গাছ। আর তারপরেই পছন্দ সবজির গাছ।ফলের গাছগুলো বড়ো হয়ে ফল হতে একটু সময় লাগে বটে তবে নিজের হাতে লাগানো গাছের ফল খেতেও অনেক মজা লাগে। তাই প্রথম দিন গাছ কিনতে গিয়ে ভেবেই রছখেছিলাম যে ফলের গাছই কিনব। তাই নার্সারিতে প্রবেশ করেই চলে গিয়েছিলাম মালিকের কাছে, যিনি গাছের চারা বিক্রি করেন।
তারপর তাকে জিজ্ঞাসা করলাম যে সেখানে কী কী ফলের চারাগাছ পাওয়া যায়। তারপর উনি বিভিন্ন গাছের নাম বললেন। আমি যদিও আগে থেকেই কিছু গাছের কথা ভেবে গিয়েছিলাম। প্রথমেই নিয়ে নিলাম একটা সবেদা গাছ, যার দাম নিয়েছিল ৮০ টাকা মানে ১৪ স্টিম মতো। এরপরে নিয়েছিলাম একটা পেয়ারা গাছ, যার দাম নিয়েছিল ৬০ টাকা, মানে ১১ স্টিম মতো। এরপরে নিয়েছিলাম একটা সাদা জামরুল গাছ, যার দাম নিয়েছিল ৫০ টাকা , মানে ৯ স্টিম মতো। এরপরে কিনেছিলাম একটা কামরাঙা গাছ। যার দাম নিয়েছিল ৪০ টাকা, মানে ৭ স্টিম মতো।

এরপরে আরো অনেক রকমের গাছ দেখতে দেখতে পছন্দ হয়ে গেল, তাই কিনে নিলাম। এরপরেই যে গাছটি নিয়েছিলাম, সেটা হল একটা বারোমেসে আমি গাছ। এই গাছে বছরে তিনবার আম হয়। এই গাছটির দাম নিয়েছিল ১৫০ টাকা। মানে ২৭ স্টিম মতো। আমার কেনা সব গাছের মধ্যে এই গাছটিরই দাম সবচেয়ে বেশি ছিল। এরপরে নিয়েছিলাম একটা পাতিলেবুর তারা। যার দাম নিয়েছিল ৩০ টাকা, মানে ৫ স্টিম মতো। এরপরে নিয়েছিলাম একটা স্ট্রবেরি পেয়ারা গাছ। এর দাম নিয়েছিল ১০০ টাকা। মানে ১৮ স্টিম মতো। এরপরে নিয়েছিলাম একটা গোলাপী জামরুল গাছ। যার দাম নিয়েছিল ৮০ টাকা। মানে ১৫ স্টিম মতো।

আরও বেশ কিছু গাছের চারা কেনা হয়েছিল। সেগুলো অন্য কোনো পোস্টে শেয়ার করব। আজ তাহলে এখানেই শেষ করছি। আগামীকাল আবার অন্য কোনো লেখা নিয়ে আপনাদের সামনে হাজির হব। সকলে ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন।
Thanks for sharing