নববর্ষের দুপুরবেলায় কাটানো মুহূর্ত
নমস্কার বন্ধুরা, সকলে কেমন আছেন? আশা করছি সকলেই ভালো আছেন। আজকে আবারো নতুন একটা পোস্ট নিয়ে হাজির হয়েছি আপনাদের মাঝে আশা করছি সকলের ভালো লাগবে।
গতকাল ছিল পয়লা বৈশাখ। বাংলা বছরের প্রথম দিন ।সকলকে জানাই শুভ নববর্ষের অনেক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। আশা করছি নববর্ষের দিনটি সকলেরই খুব ভালো কেটেছে। আমারও এই দিনটি ভীষণ ভালো কেটেছে। নববর্ষের দিনটিতে বাঙ্গালীদের অনেক আনন্দ, হই হুল্লোড়- উত্তেজনার প্ল্যান থাকে, ঠিক তেমনি আমারও অনেক কিছু প্ল্যান থাকে। বিশেষ করে নিজের কাছের মানুষের সাথে সারাদিন টি কাটাতে পারলে ভীষণ ভালো লাগে। প্রত্যেক বছর ছোট থেকে পয়লা বৈশাখে বেশ কয়েকটা নতুন জামা হত ।তবে আগেকার দিনে নতুন জামা পেয়ে ভীষণ মজা লাগতো। নীল পুজোর দিন থেকে শুরু হতো নতুন জামা পড়া। তবে এখনো আমি নববর্ষের দিন প্রত্যেককে নতুন জামা কাপড় দেওয়ার চেষ্টা করি ।আমি নিজের জন্য বেশ কয়েকটি জামা কাপড় কিনি।
কিন্তু জামা কাপড় কিনলেও পড়ার আনন্দটা কিন্তু আগের মতো পায় না। ছোটবেলায় যে আনন্দ উৎসাহ টা থাকতো নতুন জামা কাপড় পড়ার। এখন হয়তো দ্বিগুণ জামাকাপড় হয়। কিন্তু পড়ার আনন্দ খুঁজে পাই না। গতকালকে প্রত্যেকদিনের মত সকালবেলায় ঘুম থেকে উঠেছিলাম ।উঠে টুকটাক কাজকর্ম করে একটু পাশের বাড়ি ঘুরে বেড়িয়েছিলাম ।এরপরে গিয়েছিলাম ঈশাদের বাড়িতে। ঈশাদের বাড়িতে যাওয়ার সময় দেখি সকলে দুপুরবেলায় খাওয়া দাওয়া করছে। ঈশার মা আমাকেও খাওয়ার জন্য জোর করছিল ।কিন্তু আমি খেতে রাজি হয়নি, এদিকে সকাল থেকে দিদা বারবার ফোন করছিল। যেন সকালে ঘুম থেকে উঠে ফ্রেশ হয়ে তার বাড়িতে চলে যাই ।কিন্তু যেতে যে দেরি হচ্ছিল তাই বারংবার ফোন করেই যাচ্ছিল।
হয়তো নিজের খুব কাছের প্রিয় একজন মানুষ বলে আমাকে এতটা গুরুত্ব দেয়। যাইহোক ঈশাদের বাড়ি থেকে আসার পর বেলা দুটো নাগাদ রোদের মধ্যে চলে গিয়েছিলাম দিদার বাড়িতে। সেখানেই খাওয়া দাওয়ার প্ল্যান ছিল। যাই হোক দুপুরবেলাতে যাওয়ার পরেই শুরু হয়েছিল দুই বোন মিলে খুনসুটি। দুই বোন মিলে মহানন্দে দুপুরে খাবার সেরে নিয়েছিলাম। বছরের প্রথম দিনে দিদা বেশ অনেক পদ রান্না করেছিল ।আর দিদার হাতে রান্না খেতে ভীষণ ভালো লাগে। খাওয়া-দাওয়া করে দুই বোন মিলে নানারকম গল্প, আনন্দ, মজা করছিলাম ।আর এ ছাড়া তো খুনসুটি চলছিল। আর আমি খুনসুটি করতে ভীষণ পছন্দ করি। আমি যেখানেই থাকি না কেন সেখানে সকলকেই খুনসুটির মাধ্যমে মাতিয়ে রাখার চেষ্টা করি।
বছরের প্রথম দিন দুপুরবেলাটা মামার মেয়ের অর্থাৎ বোনের সাথে খুনসুটি করে কাটিয়েছিলাম । এরপরে দুপুর বেলায় খানিকক্ষণ রেস্ট নিয়েছিলাম ।কারণ বিকেল বেলায় আরো অন্য জায়গায় বেরোনোর প্ল্যান ছিল। গতকালকে প্রচন্ড গরম পড়েছিল।ঝড় বৃষ্টি হওয়ার কথা ছিল।গরমের মধ্যে বেরোতে হবে। তাই মামার বাড়ি থেকে বিকেল বেলায় বাড়ি চলে এসেছিলাম। বছরের প্রথম দিনটি দিদার সাথে কাটাতে পেরে ভীষণ ভালো লেগেছিল।
আজ এখানেই শেষ করলাম। আবারও নতুন কোন পোস্ট নিয়ে হাজির হব আগামীকাল ।সকলে ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন।


Thank you 🙏