শপিং - ২ য় পর্ব
নমস্কার বন্ধুরা, আশা করছি আপনারা সকলে সুস্থ আছেন। লাস্টের পোস্টে আমি আপনাদের সকলের সাথে শেয়ার করেছিলাম মায়ের সাথে বেরিয়ে কিছু কেনাকাটা করতে যাওয়ার মুহূর্ত। আজকে তার পরের পর্ব শেয়ার করছি।। যেখানে আগের দিন শেষ করেছিলাম, তার পর থেকেই লিখছি।
সকলের জন্য জামা কাপড় দেখতে দেখতে আমি নিজের জন্য একটা শাড়ি হঠাৎ করে পছন্দ করে ফেললাম।এত ভালো লাগলো শাড়িটা যে আমি না কিনে পারলাম না। কিছু অকেশন ছিল সামনেই তাই সেই সূত্রে কিনে নিলাম। অনেকটা পেস্ট কালারের শাড়িটা, বেশ সুন্দর সুন্দর ফুল আঁকা। ভীষণই ভালো লাগলো।
শাড়ির কেনাকাটা শেষ হয়ে যাওয়ার পর চলে গেলাম একটু টি শার্টের জায়গায় ।সেখানে আমারি একটা কাকার টি শার্ট কেনার ছিল ,কিছুদিন পরেই কাকা এবং কাকিমার বিবাহ বার্ষিকীর উপলক্ষে আমাদের অনেক কিছু কেনাকাটা আছে ।এ কারণেও সেদিনকে বার হওয়া হয়েছিল ।তাই প্রথমে কাকার একটা টি শার্ট কিনে নিলাম ।কাকা সাধারণ টি শার্ট বেশি পড়ে, এ কারণেই কেনা ।
এসব করতে করতে হঠাৎ একটা চোখ শাড়ির দিকে চোখ গেল ,আমি সাধারণত নেটের শাড়ি কখনো পড়ি না। তাও একটা নেটের শাড়ির দিকেই চোখ গেল ,এত সুন্দর লাগছিল শাড়িটাকে দেখতে, ভীষণ মিষ্টি একটা কালার ,ছবিতে অত বোঝা যাবে না আমি জানি। কিন্তু সামনে থেকে দেখলে আপনাদেরও ভালো লাগতো।
ওই দোকানে সমস্ত কেনাকাটা মিটিয়ে চলে গিয়েছিলাম আর একটা দোকানে ।সেই দোকানের নাম হলো আগমনী বাসন্তী বস্ত্রালয় ।এই দোকানটা কিছুদিন আগেই কৃষ্ণনগরে হয়েছে, এদের মেন ব্রাঞ্চ কাঁচরাপাড়া। ওদের ওখান থেকেই কাকিমার জন্য একটা শাড়ি কিনলাম। ছবিতে থাকা টি-শার্টের পাশে কাঁচা হলুদ ধরনের যে শাড়িটা সেই শাড়িটা। এর সাথে কিনে নিলাম ওদেরই ছেলের শার্ট প্যান্ট সেট।
দোকানটার নিচের অংশটা গোটাটাই শাড়ির সেকশন বলা যেতে পারে ।আবার একদিকে মেয়েদের কিছু হালকা ডেলি ওয়ার কুর্তির কালেকশনও আছে। সেকেন্ড ফ্লোরটাও পুরোপুরি মেয়েদের আর একদম ওপরে ফ্লোরে রয়েছে বাচ্চাদের এবং ছেলেদের সেকশন। সেখান থেকেই ভাইয়ের জন্য কিনে নিয়েছিলাম শার্ট প্যান্ট ।
আমাদের আরো একটি নিমন্ত্রণ ছিল, একটি বাচ্চা মেয়ের জন্মদিন ,তাই তার জন্য একটা জামা কিনে নিয়েছিলাম। বাচ্চাদের ছোটখাটো জামা কিনতে বেশ ভালো লাগে আমার।
এসব করতে করতে ওখানকার শাড়ির কালেকশনের দিকে মার একটু নজর গেল, তারপর মা অনেকগুলো শাড়ি দেখতে লাগলো। কিছু ব্যবহার করার শাড়ি মা খুঁজছিল ,তারপর এসব দেখতে দেখতে হঠাৎ করে কিছু শাড়ি চোখে পড়ল ,বেশ সুন্দর লাগলো। দামও বেশ অল্প, তাই মা দুটো ডিফারেন্ট কালারের একই শাড়ি নিয়ে নিল।। ওই যে একটা গোলাপি রঙের আর একটা হলুদ রঙের ।
ওই দোকানে সমস্ত কাজ মিটিয়ে আমরা চলে গেলাম আর একটা দোকানে ,যেখান থেকে আমরা ধুতি কিনলাম। ওই যে বললাম মায়ের সাথে বেরোলে প্রচুর কাজ নিয়ে মা বার হয় বলে অনেক অনেক টাইম লাগে।। শপিং করতে করতে স্বাভাবিকভাবে খিদে পেয়ে যাবে, তাই ঢুকেছিলাম ক্রিমস এ। আমি আমার পছন্দমত একটা পেস্ট্রি খেলাম সেখান থেকে। মা আইসক্রিম খেলো।
তারপর ওখান থেকেই আমরা টোটো করে সোজা বাড়ির দিকে রওনা দিলাম। বাড়িতে এসে এই যে এতগুলো বাজার করেছি ছবি তুলেছি। আজ এখানেই শেষ করছি ।সকলে ভালো থাকবেন।







