আশ্রয়হীন
নমস্কার বন্ধুরা,
সময়ের পালাবদলে একটা প্রশ্ন থেকে যায়,আমরা আসলেই কি ঠিক ছিলাম?আজকে এই ব্যস্ততম জীবনে দাঁড়িয়ে ফেরার তো আসলেই কোনো পথ নেই তবুও ভাবনারা আসে।
আশ্রয়হীন কবিতায়
কেউ বাড়ি খোঁজে না—
খোঁজে শুধু এমন এক নীরবতা,
যেখানে ভাঙা মানুষও
নিজের কান্নাকে লজ্জা না পেয়ে রাখতে পারে।
কিছু শব্দ জন্মায়
দরজা বন্ধ হওয়ার পরে,
কিছু পঙ্ক্তি আসে
যখন আর কাউকে বলা যায় না—
“থাকো, একটু পাশে থাকো।”
কবিতা তখন ঘর নয়,
তবু ঘরের মতো লাগে;
তার দেয়াল নেই,
তবু সেখানে ঝড় ঢোকে না সহজে।
তার ছাদ নেই,
তবু আকাশ ভেঙে পড়লে
মানুষ একটু মাথা তুলতে শেখে।
আশ্রয়হীন কবিতায়
সব হারানো মানুষ একদিন
নিজের নাম নতুন করে উচ্চারণ করে।
যে প্রেম ফিরল না,
যে বন্ধ দরজা খুলল না,
যে স্বপ্ন অর্ধেক পথে মরে গেল—
সবাই এসে বসে থাকে
একটি অসমাপ্ত লাইনের পাশে।
এখানে কেউ কাউকে বাঁচানোর প্রতিশ্রুতি দেয় না,
তবু অদ্ভুতভাবে
বেঁচে থাকার সাহস ফিরে আসে।
কারণ কবিতা জানে—
মানুষের সবচেয়ে বড় আশ্রয়
কখনও কখনও মানুষ নয়,
নিজের ভিতরে জেগে থাকা
এক টুকরো সত্য।
শেষ পর্যন্ত
আশ্রয়হীন কবিতাই শেখায়—
যার কোথাও ফেরার জায়গা নেই,
তারও শব্দ আছে;
আর যতদিন শব্দ বেঁচে থাকে,
ততদিন সম্পূর্ণ একা হয়ে যায় না জীবন।
VOTE @bangla.witness as witness

OR
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |



