জেনারেল রাইটিং : ফাঁকা ঢাকা।

সবাইকে শুভেচ্ছা,
বন্ধুরা, ঈদত্তোর সাবাই ভালো আছেন আশাকরি। পরিবার পরিজনের সাথে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে কর্মব্যস্ত জীবনে পদার্পণ। ঈদের দীর্ঘ ছুটি কাটিয়ে কর্মস্থলে ফিরছে কর্মজীবী সবাই। সরকারি ছুটি শেষ হলেও, বেসরকারি অনেক প্রতিষ্ঠান এখনো খুলেনি। আগামী শনি-রবিবার থেকে সব অফিস ও স্কুল কলেজ খুলে যাবে। ঈদের আমেজ আর থাকবেনা। কাজ কর্ম নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়বে সবাই। ঈদে ঢাকা শহর ছিল ফাঁকা। তবে ঢাকার সিনেমা হলসহ বিনোদন স্পষ্ট গুলোতে ছিল উপচে পরা ভীড়। আসলে ঢাকা মেগাসিটি হিসেবে যত বড়, সেই তুলনায় বিনোদন স্পষ্ট হাতেগোনা। যে হারে ঢাকায় মানুষ বাড়ছে, সেই তুলনায় বিনোদন স্পষ্ট বাড়ছেনা বরং সংকুচিত হচ্ছে। কর্তা ব্যক্তিরা এখন থেকে যদি এই বিষয়ে নজর না দেন, তাহলে আগামীতে ঢাকার মানুষের বিনোদন স্পষ্ট বলে কিছু থাকবেনা। ঈদের ছুটিতে ফাঁকা ঢাকা নিয়ে আমার বাংলা ব্লগে আমার জেনারেল রাইটিং। আশাকরি ভালো লাগবে আপনাদের।
20260602_212817.jpg ঢাকার ব্যস্ত সড়ক। অনেকটাই ফাঁকা!

ঈদে ফাঁকা হওয়া ঢাকা আস্তে আস্তে পূর্ণ হচ্ছে। ঈদ কাটিয়ে ঢাকায় ফিরছে মানুষ। আগামী সপ্তাহে ঢাকা ফিরে পাবে তার পূর্বের রুপ। ঈদের ফাঁকা ঢাকায় চলাফেরা করার মজাই আলাদা। ঢাকার এমাথা থেকে সেমাথা অল্প সময়ে যাওয়া আসা করা গেছে। রিক্সা নিয়েই চারপাশে ঘোরাঘুরি করা গেছে অনায়াসে। রাতে ঘুরতে ফিরতে একটু ভয়ভয় করলেও, নির্বিঘ্নে ঘুরাঘুরি করা গেছে। ফাঁকা ঢাকায় যেহারে চুরি ছিনতাই হয়ে থাকে, তুলনামূলক ভাবে এবার চুরি ছিনতাই কম হয়েছে। কিন্তু রাস্তা ফাঁকা থাকায় রোড এক্সিডেন্ট হয়েছে। বিশেষ করে বাইক এক্সিডেন্ট। বাইক এক্সিডেন্ট শুধু ঢাকায় নয়, সারাদেশেই ঈদে বাইক এক্সিডেন্ট এর মাত্রা বেড়ে যায়। ঈদের বন্ধে যদি কেউ হাসপাতালে যেয়ে থাকেন, দেখবেন হাসপাতাল গুলোতে রোড এক্সিডেন্টে আহত রোগীর সংখ্যা বেশি। শুধু এবছর নয়, বিগত বছরগুলোতেও একই চিত্র ছিল। এর বড় কারণ টিনএজ ছেলেরা, বাইক নিয়ে বের হয়ে প্রতিযোগিতায় মেতে উঠে। কে কত গতি তুলতে পারে বাইকের। এব্যাপারে অভিভাবকরা সচেতন না হলে বাইক এক্সিডেন্ট নিয়ন্ত্রণে আসবেনা। এজন্য সবার সচেতনতা জরুরি।

ঈদ করতে যারা ঢাকা ছেড়েছে তাদের যাওয়া আসা দুটোই কষ্টের। যাওয়ার টিকেটের যেমন সমস্যা আসার টিকেটেরও সমস্যা। বেশি টাকা খরচ করে টিকেট সংগ্রহ করতে হয়। এছাড়া রাস্তায় যানজটের কবলে পড়ে ভোগান্তির শিকার হতে হয়। কষ্ট শিকার করেই মান্যষ প্রতি ঈদে যাওয়া আসা করে, আপনজনের মায়ায়, আপনজনের টানে! দীর্ঘ একসপ্তাহ বন্ধ্যের পর, গতকাল থেকে সরকারি অফিস শুরু হয়েছে। ঢাকা কর্মচঞ্চল হয়ে উঠছে। স্বাভাবিক গতি ফিরতে হয়ত চলতি সপ্তাহ অপেক্ষা করতে হবে। ফাঁকা ঢাকায় মজা প্রায় শেষ হতে চলছে। এই ফাঁকা ঢাকার মজার জন্য অপেক্ষা করতে হবে আগামী ঈদ পর্যন্ত। যারা আনন্দ ও ত্যাগের মহিমায় ঈদ উদযাপন করে কর্মস্থলে ফিরছেন, সবার ঈদ ফিরতি যাত্রা আনন্দময় ও নিরাপদ হোক। আজ এই পর্যন্ত বন্ধুরা, আবার দেখা হবে অন্য কোন ব্লগ নিয়ে। সবাই ভালো থাকুন - নিরাপদে থাকুন। শুভ রাত্রি।

ঢাকা-বাংলাদেশ।
২ জুন,২০২৬।

Sort:  

Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.