ধর্ষকের সর্বোচ্চ শাস্তি " মৃত্যুদন্ড "
খবরের কাগজ অথবা সোস্যাল মিডিয়াতে বর্তমানে একটা নিউজই সবার সামনে উচ্চারিত হচ্ছে সেটি হলো রামিসার ধর্ষকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর। আপনি চিন্তা করেন একটা ব্যাপার, বাংলাদেশে কিন্তু শিশু ধ্বর্ষণের ঘটনা শুধু যে একবার ঘটছে সেটা না, প্রতিদিনই এমন ঘটনা ঘটছে যেগুলো হয়তো সামনে আসছে না অথবা সেগুলো নিউজ হচ্ছে না। আজকের এই দিনে এসে শিশু বা নারীর নিরাপত্তা আসলে কোথায় গিয়ে ঠেকেছে আপনি একটাবার চিন্তা করে দেখুন। রামিসার ঘটনায় পুরো দেশের মানুষের টনক নড়েছে মনে হচ্ছে।
সবচেয়ে দুঃখের বিষয় হলো বাবার হাতে সন্তানের লাশ! একজন পিতা বা মাতাই জানে সন্তানের লাশ কাধে নেয়া কতটা কঠিন। রামিসার বয়সও তো বেশি হয়নি। কিন্তু রামিসার মতো নিষ্পাপ একটি মেয়েকে হত্যা করলো সেটার বিচার যদি না হয় তাহলে বাংলাদেশে আর কোনো ধর্ষকের বিচার হবে বলে আমার মনে হয় না। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রবেশ করলেই দেখা যাচ্ছে মানুষ কতটা ফুলে ফেঁপে আছে। সাধারণ জনগণের শুধুমাত্র একটাই চাওয়া ধর্ষকের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড দিতে হবে।
বাংলাদেশে কিন্তু ধর্ষকের বিরুদ্ধে আইন আছে। কিন্তু আমরা বিগত সময়গুলোতে দেখতে পেয়েছি ধর্ষকরা শাস্তি না পেয়ে দিব্যি হেসে খেলে বেড়ায়। আদালতে তাদের বিরুদ্ধে আইনজীবিরা পর্যন্ত দাড়ায়। কিছু টাকার কাছে বিক্রি হয়ে যায় এই দেশের আইনজীবিরাও। আর এ কারণেই ধর্ষকরা পার পেয়ে যাচ্ছে। আরও জঘন্যতম অপরাধ করতেও তারা দ্বিধাবোধ করে না। ধর্ষকরা অপরাধ করে কিন্তু সেই অপরাধের শাস্তি আর কার্যকর হয় না। যার কারণে ধর্ষকরা সুযোগ পেয়ে যায়।
এখন বর্তমান সময়ে ধর্ষকদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে হবে যাতে আর কোনো ধর্ষক ধর্ষণ করার সুযোগ না পায়। এবং ধর্ষককে সবার সামনে ফাসিঁ বা মৃত্যুদন্ড দিতে হবে। যেন আর কোনো নরপশু এমন কাজ করার সাহস না পায়।
ধর্ষণ কোনে সাধারণ অপরাধ নয় বরং এটি একটি জঘন্যতম অপরাধ। যার সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ত দেয়াটাই উত্তম। আশা করছি রামিসার হত্যার সঠিক বিচার বাংলার মাটিতে হবে। একটা দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে সেটা। আমরা অদূর ভবিষ্যৎ এ রামিসার মতো আর কাউকে হারাতে চাই না।
