নিরবতাই দুর্বলতা নয়!
আজকে আমি এসেছি আপনাদের সকলের সাথে একটি জেনারেল রাইটিং পোস্ট শেয়ার করতে। আমার লেখার মাধ্যমে আমার চিন্তা ভাবনা গুলো আপনাদের কাছে পৌঁছানোর লক্ষ্যে এই লেখাগুলো শেয়ার করা।
আশা করছি যে আপনারা আপনাদের মূল্যবান মন্তব্যের মাধ্যমেই আমার এই লেখাটি সৌন্দর্য বৃদ্ধি করবেন এবং আপনাদের মতামত ব্যক্ত করবেন। আমি যদি কোনো কিছু ভুল বলে থাকি। তাহলে অবশ্যই আমাকে শুধরে দিতে ভুলবেন না।
অনেকেই মনে করে, চুপ থাকা বা কিছু না বলা মানেই হয়তো আপনি দুর্বল। কিন্তু আপনি জানেন, সবসময় চেঁচিয়ে বললেই শক্তি প্রমাণ হয় না। কখনো কখনো চুপ থাকাটাও অনেক বড় সিদ্ধান্ত। নিরবতা অনেক সময় এমন একটা জিনিস, যেটা শব্দের চেয়ে বেশি শক্তিশালী হতে পারে।
সব সময় সব বিষয়ে কিছু বলতেই হবে, এমন কোনো নিয়ম নেই। অনেক সময় পরিস্থিতি এমন হয় যেখানে আপনি জানেন কিছু বললেও কেউ শুনবে না, বোঝার চেষ্টা করবে না। তখন কথা না বলাটা হয় নিজের মানসিক শান্তির জন্য দরকারি। মানুষ বুঝতে চায় না যে, আপনি চুপ আছেন কারণ আপনি যুদ্ধ করতে ক্লান্ত, বারবার প্রমাণ দিতে দিতে বিরক্ত। নিরবতা তখন নিজের সেলফ রেসপেক্ট বাঁচিয়ে রাখার একটা উপায় হয়ে যায়।
আরেকটা ব্যাপার হলো, অনেক সময় আপনি চুপ থাকেন কারণ আপনি ভেতর থেকে এতটাই ভেঙে পড়েছেন যে আর কিছু বলার মতো শক্তি থাকে না। এটা কেউ দেখে না। সবাই ভাবে আপনি দুর্বল, কিন্তু তারা বোঝে না আপনি কতো কিছু সহ্য করে নিজেকে ধরে রেখেছেন। এই নিরবতা অনেক বড় সহ্যশক্তির প্রমাণ।
মানুষ অনেক সময় নিজের ব্যর্থতা বা সীমাবদ্ধতা ঢাকতে গিয়ে চিৎকার করে, অন্যকে দোষারোপ করে, রাগারাগি করে। কিন্তু আপনি যদি বুঝে থাকেন কখন কী বলা উচিত আর কী না বলা উচিত, তাহলে সেটা আপনার বুদ্ধিমত্তারই পরিচয়। চুপ থাকা মানে এই না যে আপনি কিছু জানেন না বা ভয় পেয়েছেন। অনেক সময় আপনি শুধু সময়ের জন্য অপেক্ষা করছেন। কারণ আপনি জানেন, সময়ের চেয়ে ভালো উত্তর কেউ দিতে পারে না।আর একটা জিনিস খুব পরিষ্কারভাবে বলা দরকার, নিরবতা মানে সবকিছু মেনে নেওয়া না। আপনি চুপ আছেন মানে এই না যে আপনি ভুলটাকে ঠিক বলে মেনে নিয়েছেন। আপনি শুধু ঝামেলা বাড়াতে চাইছেন না। আপনি শুধু নিজের মানসিক শান্তিকে অগ্রাধিকার দিচ্ছেন।

